উত্তর: উত্তর প্রদান করেছেন Mufti Saifuddin Gazi হাফি:
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়ারাহমাতুল্লাহ!
সূরা ইয়াসীন ও সূরা ওয়াকিয়ার আলাদা ফযীলত বিভিন্ন হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। যেমন :
وَ يس قَلْبُ الْقُرْآنِ لَا يَقْرَؤُهَا رَجُلٌ يُرِيدُ اللَّهَ وَالدَّارَ الْآخِرَةَ ؛ إِلَّا غُفِرَ لَهُ، وَاقْرَءُوهَا عَلَى مَوْتَاكُمْ ".
সূরা ইয়াসীন কুরআনের হৃদপিণ্ড। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের উদ্দেশ্যে তা পাঠ করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে ক্ষমা করে দিবেন। তোমরা মুমুর্ষ ব্যক্তির কাছে তা পাঠ কর। (আহমাদ২০৩০০ , আবুদাউদ, নাসায়ী)
তিরমিযী বর্ণিত একটি হাদীসে আছে : যে ব্যক্তি একবার ইয়াসীন তেলাওয়াত করলো, তাকে দশবার কুরআন পড়ার সওয়াব দেওয়া হবে। (প্রাগুক্ত ২৮৭৮)
অনুরূপভাবে সূরা ওয়াকিয়া পাঠেরও আলাদা ফযীলত রয়েছে। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রাযি. হতে বর্ণিত, নবী কারীম সা. বলেছেন : যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সূরা ওয়াকিয়া পাঠ করবে, তাকে কখনো অভাব স্পর্শ করবে না। ইবনে মাসঊদ রাযি. নিজেও এ আমল করতেন এবং স্বীয় মেয়েদেরকে পাঠ করতে বলতেন। (শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকী : ২৬৬৭)
হাদীসগুলোতে কিছুটা দুর্বলতা থাকলেও আমলযোগ্য।
কাজেই কুরআনের গুরুত্বপূর্ণ সূরা হিসাবে এবং সুরা দুটির ভিন্ন ফযীলত হাসিলের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন তেলাওয়াত করতে কোনো অসুবিধা নেই। বরং বহু পূণ্যর আশা করতে পারেন। এটাকে নিয়মিত করা প্রশংসনীয়। নবীজি সা. বলেছেন : শ্রেষ্ট আমল সেটি, যা নিয়মিত করা হয়। (বুখারী ৫৮৬১)
আল্লাহু আ'লাম!
#সূরাইয়াসীনওওয়াকিয়া