দু'টি মূলনীতি, অনেক বিষয়ের সমাধান।
১। শিয়াদের মত আমরা ইসমাতে সালাফ এর আক্বিদা রাখি না। এজন্য যুগ হিসেবে সালাফ বলা হোক বা ব্যক্তি হিসেবে সালাফ, শিয়ারা যেমন তাদের ইমামদেরকে মা'সুম বা নিষ্পাপ মনে করে, আমরা সেভাবে করি না। এজন্য তাদের কারও একক বক্তব্য অকাট্য বিষয়ের বিপরীতে দলিল হতে পারে না। আর কেউ যদি অকাট্য বিষয়ের বিপরীতে ইজমার দাবী করে, সেটাও সঠিক নয়। কারণ, অকাট্য বিষয়ের বিপরীতে কখনও ইজমা হতে পারে না। ইজমার দাবী করলে সেটা মিথ্যা দাবী হিসেবে পরিগণিত হবে।
২। আল্লাহ তায়ালার স্থান ও সময়ের সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হওয়ার বিষয়টি অকাট্য। এর বিপরীতে অন্য কারও বক্তব্য সঠিক হতে পারে না। তিনি সালাফ হোন বা পরবর্তী কেউ। খ্রিষ্টানদের সালাফরা অকাট্য বিষয়ের বিপরীতে ত্রিত্ববাদ চালু করেছিল আর খ্রিষ্টানদের অনেকে সেটা মেনে নিয়েছে। আমাদের সাথে তাদের পার্থক্য হল, সালাফের দোহায় দিয়ে আমরা খ্রিষ্টানদের মতো অকাট্য বিষয়ের বিপরীতে সালাফের বক্তব্যকে গ্রহণ করি না। অকাট্য বিষয়ের বিরোধিতা ছাড়া সালাফের বুঝের গুরুত্ব অবশ্যই আছে। কিন্তু কেউ যদি সালাফের নাম নিয়ে বলে, সালাফ বলেছেন দুই আর দুই পাচ, তাহলে আমরা সেটা কখনও মানতে পারি না। মোটকথা, সালাফের কারও বক্তব্যই অকাট্য বিষয়ের বিপরীতে দলিল হতে পারে না। সম্ভাব্য বা জন্নী বিষয়ের ক্ষেত্রে তাদের বুঝকে আমরা গুরুত্ব দিব।